যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর আফগানিস্তান ত্যাগের পর শঙ্কার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর পক্ষে কাজ করা আফগান। ইতোমধ্যেই তাদের অনেকেই নিহত হয়েছেন তালেবানের হাতে। তাই তাদের ভবিষ্যৎ রক্ষার্থে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রায় ২৫০০ আফগান নাগরিককে।
কিন্তু সংখ্যাটা এখানেই শেষ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা রয়েছে সামনে এরকম হাজার হাজার আফগান নাগরিককে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু এসব আফগানকপ সরাসরি না নিয়ে তৃতীয় কোনো দেশ ব্যবহার করে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে তুরস্ককে তৃতীয় দেশ হিসেবে তুরস্ককে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে আলোচনা ব্যতীত আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে তুরস্ক। তুরস্ক জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত এই অঞ্চলে ‘বড় অভিবাসন সংকট’ তৈরি করতে পারে।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমাদের সঙ্গে কোনোপ্রকার পরামর্শ ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্রের নেয়া এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত তুরস্ক গ্রহণ করবে না। যদি তাদের আফগান নাগরিকদের তাদের দেশে নেওয়ার ইচ্ছে থাকে তবে সরাসরি নিয়ে যাক। আমাদের মাঝে ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই কারো আশা করা উচিত নয় যে, তুরস্ক পূ্র্বের ন্যায় অভিবাসন সংকটের বোঝা বহন করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের ঘোষণা মোতাবেক, নতুন শরণার্থী কর্মসূচির আওতায় মার্কিনদের জন্য কাজ করা কিছুসংখ্যক আফগান নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে পুনর্বাসনের সুযোগ পাবেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করা দোভাষী ও অনুবাদকরা এ সুযোগ পাবেন। ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এসকল আফগান নাগরিককে তৃতীয় কোনো দেশে থাকতে হতে পারে ১২ থেকে ১৪ মাস।














