খালেদ মাহমুদ সুজনের সংশয়

0
খালেদ মাহমুদ সুজনের সংশয়

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-র পরিচালনা করার পদ্ধতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং কাগজে কলমে তিনি বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হলেও বর্তমানে তিনি আদৌ উক্ত পদে আছেন কিনা তা নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন।

বিসিবির অন্যতম পরিচালক হিসেবে অনেক বছর ধরেই বিভিন্ন ক্ষমতায় বোর্ডের সাথে যুক্ত খালেদ মাহমুদ। বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট কমিটির প্রধান এপ্রিলে শ্রীলঙ্কায় দুম্যাচের টেস্ট সফরে দীর্ঘদিন পর দলের ম্যানেজার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানের অধীনে ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান। গতকাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি আসলে অপারেশনস কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান কিনা তা নিজেই নিশ্চিত নই। হয়ত আমি এই পদে রয়েছি, তবে আমি সভাগুলিতে যোগ দিই না এবং তারা আমাকে কোনও সভায় যোগ দিতেও বলেন না। এমনকি প্রায় ২ বছর ধরে আমি (বিসিবি থেকে) কোনও ইমেলও পাইনি।”

জিম্বাবুয়ে সফরের ঠিক আগে বিসিবি শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ব্যাটসম্যান অ্যাশওয়েল প্রিন্সকে যথাক্রমে স্পিন বোলিং ও ব্যাটিং পরামর্শক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে বিসিবি পরিচালক সুজন বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যম থেকেই প্রথম এ খবরটি পেয়েছেন।

“আমি আসলে মিডিয়ার মাধ্যমে নতুন পরামর্শকদের নিয়োগের ব্যাপারে জানতে পেরেছিলাম। কেউই আমার সাথে এসব নিয়ে আলোচনা করেনি। সম্ভবত তারা আমায় জানানো প্রয়োজন মনে করেনি। ডিপিএলের কারণে আমি বায়ো-বাবলের ভেতর ছিলাম, তবে কেউ ফোন করেও এব্যাপারে জানায়নি।” বলেন সুজন।

ক্রিকেট কার্যক্রমে বিসিবি তাকে জড়িত না করার পেছনের কারণ কী হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন: “আমি আসলে এ সম্পর্কে জানি না। আমি বোর্ডের সাথে কাজ করার চেষ্টা করি এবং কারও যখন প্রয়োজন হয় তখন তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। বোর্ডের প্রতি আমার কিছু দ্বায়িত্ব রয়েছে এবং এ সম্পর্কে আমি সচেতন। “

টাইগারদের জিম্বাবুয়ে সফরে ম্যানেজার হিসাবে খালেদ মাহমুদের থাকার কথা ছিল। তবে পারিবারিক কারণে ছুটি নিয়েছেন প্রাক্তন এই ক্রিকেটার।

একটি টেস্ট, তিনটি করে ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে।