আটকে পড়া কিশোরদের মধ্য থেকে যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তাদের নিয়ে গোপনীয়তার আশ্রয় নিচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারীরা। এ নিয়ে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত যে ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে তাদের সঙ্গে এখনো পর্যন্ত কাউকে দেখা করতে দেয়া হয়নি। এমনকি উদ্ধারকৃতদের বাবা-মাও দেখা করতে পারেনি।
এখনো উদ্ধারকৃতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। অর্থাৎ আটকা পড়া বা নিখোঁজ হওয়াদের মধ্য থেকে ঠিক কাকে কাকে উদ্ধার করা হয়েছে তা জানানো হয়নি। স্বজনরাও নিশ্চিত নন যে ঠিক কোন ৫ জনকে বের করে আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে আটকে পড়া এক কিশোরের বাবা রয়টার্সেকে বলেন, কোন বাচ্চাদের বের করা হয়েছে, তা আমাদের জানানো হয়নি, আমরা হাসপাতালেও যেতে পারছি না। এসব অভাব-অভিযোগ স্বত্বেও সরকার চুপ। তাদের পক্ষ থেকে শুধু বলা হচ্ছে, ঐ ৫ জন হাসপাতালে ভালো আছে, সুস্থ আছে। তবে তারা কোন হাসপাতালে আছেন আর কী ধরনের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
গুহার বাইরে উদ্ধার হওয়া কিশোরদের স্থাপিত চিকিৎসা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে; নাকি অন্য কোথাও নেয়া হয়েছে তাও নিশ্চিত নয়। তবে সেখান থেকে মাঝে মধ্যে হেলিকপ্টার যাতায়াত করছে বলে বিবিসির খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
চ্যাং রাই প্রদেশের গভর্নর নারংসাক অসোতানাকর্ন, যিনি এই উদ্ধার তৎপরতার নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সোমবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা (চারজন) বেশ উৎফুল্ল। সকালে জানিয়েছিল তাদের খিদে লেগেছে, তারা বাসিল দিয়ে রান্না ভাত খেতে চেয়েছে।
এই বিষয়ে গভর্নর অসোতানাকর্ন বলেন, সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেই ঝুঁকি কাটলেই এ ব্যাপারে ডাক্তারারা সিদ্ধান্ত নেবেন। তখন বাবা-মায়েদের জানালার কাঁচের বাইরে থেকে তাদের ছেলেদের দেখতে দেওয়া হবে।