বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপ্রতিম নির্মাতা মালেক আফসারী। জায়েদ খান ও পরীমনিকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘অন্তর্জ্বালা’ সিনেমা। সিনেমাটি বানাতে গিয়ে পরীর নানা কর্মকান্ড কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন আফসারী। অবগত হন নায়িকার উচ্ছৃঙ্খল জীবন সম্পর্কে। পরীমনি গ্রেফতার হওয়ার নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘মালেক আফসারী অফিসিয়ালে’ হাজির হয়ে তুলে ধরেন পরীমনির অনেক অপকীর্তি।
পরীমনিকে লেডি রংবাজ আখ্যা দিয়ে আফসারী বলেন, ‘তার কলিজা অনেক বড়ো। কাউকে তোয়াক্কা করে না। কান্না করার মানুষ ও না। গ্রেফতারের আগে যে কান্নাকাটি করেছে, তা নাটক। ও নাটকবাজ মেয়ে।’
সাভারের বোট ক্লাবের ঘটনায় পরীমনির পক্ষে কথা বলেন মালেক আফসারী। ভেবেছি পোলাপান, ভুল করতেই পারে। ওকে কিছু বললে বলতো, ‘আপনি ডিরেক্টর। সিনেমায় ডিরেকশন দেন। আমাকে দিতে আসিয়েন না।’
মালেক আফসারী আরও বলেন, ‘ও যখন যেখানে যায়, ঝামেলা পাকায়। অন্তর্জ্বালা করার সময় গন্ডগোল করে একজনকে চেয়ার দিয়ে পিটায়। এফডিসিতে এক প্রযোজককে স্যান্ডেল দিয়ে মারে। শাকিবের সঙ্গে ছবি করতে সিলেট গিয়ে সেখানেও ঝামেলা।’
পরীমনির বাসায় যত মদ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে অনায়াসে দোকান খোলা যাবে। চারিদিকে মডেল অভিনেত্রীরা ধরা পড়ছে। বাসায় মদ পাচ্ছে। এগুলা তো ওরা নিজের পয়সায় কেনে না। ওদেরকে কিনে দেওয়া হয়। আসর বসানো হয়। মালেক আফসারীর বলা কথাগুলো দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।