কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে প্রতিবাদ বিক্ষোভে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারানোর পর প্রতিবাদকারীদের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদ।
পাকিস্তানের কট্টর ধর্মীয় দলগুলো ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে আইনমন্ত্রীর অপসারণের দাবিতে প্রায় ২০ দিন ধরে রাজধানীর অন্যতম প্রবেশ পথ ফৈজাবাদ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিল, এতে ইসলামাবাদ কার্যত অচল হয়ে পড়ে, খবর ডননিউজের।
গত দুদিনে ফৈজাবাদ ও দেশটির অন্যান্য এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত ও কয়েকশত মানুষ আহত হওয়ার পর রোববার রাতে বিক্ষোভকারীদের নেতাদের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা হয়। ওই সমঝোতার অংশ হিসেবেই আইনমন্ত্রী হামিদ পদত্যাগ করেন বলে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পিটিভি ও অন্যান্য সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ডননিউজ।
নির্বাচনী শপথ থেকে খতম-ই-নবুওয়াত অংশটি বাদ দিয়ে আইনমন্ত্রী হামিদ ধর্ম অবমাননা (ব্লাসফেমি) করেছেন অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবি করছিল কট্টরপন্থি ধর্মীয় দলগুলো। এই দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তারা রাজধানীতে অবস্থান নিয়েছিল।
তবে এর আগে সরকার জানিয়েছিল, কেরানীদের ভুলেই নির্বাচনী শপথে ওই অংশটি জুড়ে গেছে।
পিটিভির খবর অনুযায়ী, ‘দেশকে সঙ্কটমুক্ত করতে’ আইনমন্ত্রী হামিদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসির কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। আব্বাসি তা গ্রহণ করবেন বলে কয়েকটি সরকারি সূত্র ডননিউজকে নিশ্চিত করেছে।
যেসব ধর্মীয় দলগুলো ফৈজাবাদ সেতুতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে তাদের মধ্যে তেহরিক-ই-খতম-ই-নবুওয়াত, তেহরিক-ই-লাবাইক ইয়া রাসুল আল্লাহ (টিএলওয়াই) এবং সুন্নি তেহরিক পাকিস্তান (এসটি) অন্যতম।














