আন্তর্জাতিক ডেস্ক
করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় বর্তমানে ব্যবহৃত হওয়ার বেশিরভাগ টিকার ক্ষেত্রে দুইটি একই কোম্পানির দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে দুই ডোজে একই কোম্পানির টিকা ব্যবহার না করে দুটি ভিন্ন কোম্পানির টিকা ব্যবহার করা হলে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।
সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত কম-কোভ নামের একটি গবেষণাপত্র থেকে এ তথ্যটি পাওয়া গিয়েছে। ৮৩০ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর ভিন্ন ভিন্ন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে গবেষণাটি করা হয়েছিল।
গবেষণায় দেখা গেছে ফাইজারের প্রথম ডোজ নেওয়ার চার সপ্তাহ পর অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে নেওয়া হলে এটি অধিক কার্যকর হয়। অন্য কোম্পানির মিশ্রণ থেকেও ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মিশ্রণে বেশি অ্যান্টিবডি তৈরির তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা।
গবেষণা দলের প্রধান তদন্তকারী এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পেডিয়াট্রিকস অ্যান্ড ভ্যাকসিনোলোজির সহযোগী প্রফেসর ম্যাথিউ স্নাপ বলেন, সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে দুই ডোজ ফাইজারের টিকায়। তবে দুই ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা যারা নিয়েছেন তাদের তুলনামূলক কম অ্যান্টিবডি হলেও এক ডোজ ফাইজার ও অন্য ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নেওয়াদের শরীরে বেশি পরিমাণ অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে।