লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিতিনি নামটা আবেগের সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহন করে আছে অভিষেকের পর থেকে। কালের পাতায় তারপর ১৬ বছর পেরিয়েছে, মেসির প্রতি ভক্তের বিন্দু বিন্দু ভালোবাসা সিন্ধু ছুঁয়েছে। ভক্তদের কাছে মেসি নিজেই একটা ট্রফি, দেবতুল্য। দেবতারও তো চাই রাজদণ্ড, যা তাকে তর্কাতীতভাবে এগিয়ে রাখবে সবার চেয়ে।
২০০৭ কোপা আমেরিকার ফাইনাল, ২০১৫ ও ২০১৬ তে টানা দু’বার কোপার কাছাকাছি গিয়েও ফিরতে হলো শূন্য হাতে। তবে সবচাইতে বেশি পোঁড়াবে ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনাল! সেবারের ভেন্যু মারাকানা স্টেডিয়ামে কান্না লুকোতে চাওয়া নিষ্পলক মেসিকে দেখে কেঁদে ওঠে ধূর্ত নিন্দুকও।
এবার ফের অভিন্ন মঞ্চ। ফাইনাল, মারাকানা। ট্রফির নাম বদলালেও মানুষটা মেসি, ক্ষতটা একই। সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতে সম্ভাব্য সবই করে যাচ্ছেন আসর জুড়ে। সর্বোচ্চ গোল, সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট, সর্বোচ্চ ম্যাচ সেরা। মেসিকে কেউ থামাতে পারছে কই?
মেসি থামতে চান দেশের হয়ে একটি শিরোপা জিতে। যে সৌন্দর্য্যে বছরের পর বছর মাতাল করে এসেছেন ভক্তদের, সেই সৌন্দর্য্য দেশের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব বয়ে আনতে পারলে তবেই না পাবে পূর্ণতা। লিওনেল মেসির একটি দূরন্ত দৌঁড় কিংবা উড়ন্ত ফ্রিকিকে কোপা আমেরিকা পৌঁছে যাবে আর্জেন্টিনায়, এমনটাই তো চাওয়া কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে অন্তঃপ্রাণ ফুটবলপ্রেমীদের। সকলের মনোবাসনা মারাকানার সবুজ গালিচায় ফুটে উঠছে- হে শিরোপা, অভিমান ভেঙ্গে এবার এসো লিও’র হাতে।














