ইউরোর হতাশা বিশ্বকাপে কাটাবার আশা কেইনের

0

তীরে এসে তরী ডুবলো ইংলিশদের। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি থ্রি লায়ন্সরা। সাড়ে পাঁচ দশকের আক্ষেপের সুর দীর্ঘায়িত হলো। ট্রাইবেকারে ইতালির কাছে পরাজয়ের পর সমর্থকদের উগ্র আচরণ, মিডিয়ার সমালোচনায় জর্জর ইংল্যান্ড।

মুখ খুললেন দলপতি হ্যারি কেইন। ‘একেবারে তরুণ দল নিয়ে এতটুকু এসে আমরা প্রমাণ করেছি যে কাউকে হারাতে পারি। দল হিসেবে ব্যালেন্সড আমরা। জিতেছি একসঙ্গে। হেরেছি একসঙ্গে। ২০২২ বিশ্বকাপে দল আরও পরিণত হবে। ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদী।’

কেইন মুখ খুললেন পেনাল্টি ইস্যুতেও। রাশফোর্ড, স্যাঞ্চো, বুকোয়া সাকাদের এক হাত নিয়েছে সমর্থকরা। তরুণ খেলোয়াড়দের পক্ষে সাফাই গাইলেন ক্যাপ্টেন কেইন। ‘পেনাল্টি মিস খেলারই অংশ৷ অনেকেই ব্যর্থ হয়। বিদ্রুপ করার কিছু নেই। ওরা প্রত্যেকে ভালো ফুটবলার।’

ফাইনালে ব্যর্থ ছিলেন কেইন নিজেও। ইতালির গোলে নিতে পারেননি কোনো শট। পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেলে শেষ বেলা খালি হাতে ফিরতে হলো, তা-ও ঘরের মাঠে। হ্যারি কেইনের কষ্ট কারও চেয়ে কম নয়।