এবারের বিপিএলে ব্যাটে-বলে সিলেট অধিনায়কের পারফর্মেন্স গড়পরতা খারাপ নয়। দলের জয়ে অবদানও ছিল তার।

চিটাগং ভাইকিংসে বিপক্ষে আজ একে একে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একাই ধসিয়ে দিলেন লুক রনচির দলকে। ৪ ওভারে খরচ করলেন ৩১ রান। চিটাগং ভাইকিংস অল-আউট হল মাত্র ৬৭ রানে! খেলতে পারল মাত্র ১২ ওভার।
আজ রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ধসের মুখে পড়ে চিটাগং ভাইকিংস। নাসিরের করা প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন লুক রনচি। কিন্তু পরের বলেই বোল্ড হয়ে আশার পরিসমাপ্তি ঘটে। ওই ওভারের শেষ বলে নাসিরের দ্বিতীয় শিকার হন ওপেনার সৌম্য সরকার (০)।
সিলেটের তৃতীয় সাফল্যেও অবদান অধিনায়ক নাসিরের।
লুইস রেইসকে (১২) এলবিডাব্লিউ করে চিটাগংয়ের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি। চিটাগংয়ের চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটান শরীফুল্লাহ। তার বলে সাব্বিরের তালুবন্দি হন বিধ্বংসী সিকান্দার রাজা (১)। তানবীর হায়দারকে (৫) এলবিডাব্লিউ করে চতুর্থ শিকার ধরেন নাসির। ৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে মহাবিপদে পড়ে যায় রনচির দল।
অন্যদিকে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছিলেন নাসির। ব্যাটসম্যানদের কাছে যেন দুর্বোধ্য হয়ে উঠছিলেন তিনি। সিলেট অধিনায়কের পঞ্চম শিকার হন ভ্যান জাইল (১১)। শরিফুল্লার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ইরফান শুকুর (১৫) ফিরলে সপ্তম উইকেট হারায় চিটাগং। সিলেটকে অষ্টম সাফল্য এনে দেন নাবিল সামাদ। তার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান এমরিত (২)। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৬৭ রানে অল-আউট হয়ে যায় চিটাগং ভাইকিংস!














