ইনসাইড ডেস্ক
চাচিকে পছন্দ করতেন ভাতিজা। তাই চাচা চাচির দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করতে চাচির নামে মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বিভিন্ন জনকে ইমেইল করা শুরু করেন। তবে শেষ রক্ষা হলো না৷ প্রযুক্তির মাধ্যমে ধরা পড়লেন পুলিশের কাছে।
গ্রেপ্তারকৃত ভাতিজার নাম মির্জা শামীম হাসান (৩১)। প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মির্জা শামীম হাসান বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মির্জা সেলিম রেজার ছেলে। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, ভুক্তভোগী নারী শামীম হাসানের চাচি। শামীম একটি ভুয়া আইডি খুলে বগুড়ার গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা পেশার ১২৫ ব্যক্তির কাছে চাচীর ছবিসহ একটি ইমেইল পাঠায় যেখানে ওই নারীর চরিত্র সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য উপস্থাপন করা ছিল। এরপর ভুক্তভোগী নারী সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে। মামলার পর দ্রুত তদন্তে নামে গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার টিম।
মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কারণ হিসেবে শামীম জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানায়, সে ওই নারীকে পছন্দ করতেন। তাই সাংবাদিক এবং পরিচিতদের মধ্যে কাল্পনিক তথ্য ছড়িয়ে চাচা-চাচির সম্পর্ক নষ্ট করার জন্যেই তিনি ইমেইলগুলো পাঠান।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক এমরান মাহমুদ তুহিন বলেন, বগুড়ার শামীম হাসান ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। আটকের পর শামীমকে ভুক্তভোগী নারীর করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এরপর তাকে আদালতে নেওয়া হয়।