চলমান বিধিনিষেধে জনসমাগম রোধ এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে গিয়ে জনতার ধাওয়ার শিকার হয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার এএসআই বুলবুল ইসলাম এবং কনস্টেবল আজমাইন ইসলাম।
এ ঘটনায় কচাকাটা থানায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান অপরাধে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কচাকাটা থানার এসআই মিজানুর রহমান নিজে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
কচাকাটা থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, কঠোর লকডাউন কাযর্কর এবং স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কচাকাটা বাজারে দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই বুলবুল ইসলাম এবং কনস্টেবল আজমাইন ইসলাম। দায়িত্ব পালনকালে হাটের দিকে ব্যাপক জনসমাগম দেখতে পান তারা। সেই জনসমাগম রোধ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানাতে যান।
এ সময় কয়েকজন জনতা দৌড় দিলে পালানোর সময় তাদের মধ্যে একজনের হাতে থাকা বাজার মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় কিছু লোক উত্তেজিত হয়ে উল্টো এএসআই বুলবুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজমাইনকে ধাওয়া করেন। ধাওয়া খেয়ে এএসআই বুলবুল কচাকাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সড়কের পাশে অবস্থিত তার ভাড়া বাসায় প্রবেশ করেন।
এ সময় উত্তেজিত জনতা লাঠিসোটা নিয়ে তার বাসার সামনে অবস্থান নেয় এবং বাসার গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলমসহ পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে এএসআই বুলবুলকে থানায় নিয়ে আসেন।
পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা মামলার দায়ের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “কচাকাটা হাটে মানুষের সমাগম রোধে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় হাটের কিছু দুষ্ট লোক গুজব ছড়িয়ে দেয় হাটে এসে পুলিশ মারপিট করছে। ফলে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়ে এমন অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”














