শিক্ষা ব্যবস্থা আপনার দোরগোড়ায়!

0
ই-এডু-ল্যাব

অনলাইনে ক্লাস হবে?? এ কি করে সম্ভব?? টিচার থাকবে?? স্টুডেন্ট রা ক্লাস করতে পারবে?? ইত্যাদি নানা প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছিলাম আইসিটি এক্সপো ২০১৭ এর ২য় দিন ই-লার্নিং নামে ইনোভেশন টু ইন্ডাস্ট্রি এর একটি স্টলে। চারজন ইনভেটর এর সাথে কথা হলো তাদের বিশাল এই প্রজেক্ট নিয়ে। তারা বাংলাদেশ এর প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে প্রফেশনাল লেভেল এর কিছু কোর্স এবং ক্রিয়েটিভ কিছু কোর্স নিয়ে শুরু করেছে একটি বিশাল অনলাইন প্লাটফর্ম যার নাম তারা দিয়েছে ই-এডু-ল্যাব। করা যাবে লাইভ ক্লাস ঘরে বসে, পড়া যাবে বই, যেকোন রকম এর টেস্ট ও দেওয়া সম্ভব এই ওয়েবসাইটে। এই ৩ টি জিনিস একটি প্ল্যাটফর্ম এ নিয়ে এসেছে এই ইনোভেটররা বাংলাদেশে প্রথম।
ই-এডু-ল্যাব
ই-এডু-ল্যাব এর উদ্দেশ্য কি এবং কাদের জন্য এই প্লাটফর্ম এমন প্রশ্নের জবাবে ফাউন্ডার জয়ন্ত সরকার বলেন “আমাদের এই প্লাটফর্ম যেকোনো কেউ ব্যবহার করতে পারবে। খুব সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি হওয়ার কারনে একদম ছোট থেকে সব বয়সের লোক এটি ব্যবহার করে খুব মজা পাবে বলে আশা করছি। অনেক সময়ই দেখা যায় আমাদের স্টুডেন্টদের মেধা থাকা সত্ত্বেও কাজে লাগাতে পারে না শুধুমাত্র গাইডলাইন এর অভাবে বা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঢাকার বাইরে তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা থাকে না তাদের কথা মাথায় রেখে পুরো জিনিসটা বানানো। এখন থেকে ঢাকার একজন টিচার ক্লাস নিতে পারবে ওয়ার্ল্ড এর যেকোনো জায়গার স্টুডেন্ট এর সাথে। স্কুল কলেজ ভার্সিটি তে যেসব কোর্স অফার করা হয় না সেগুলোতে সবাই কে এক্সপার্ট করে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করাই আমাদের লক্ষ্য।” ই-এডু-ল্যাব এর সিইও পূর্বা দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন “আমরা কিছু বিশেষ দিকে নজর রেখে এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছি যেমন একটি মেয়ে চাইলেই তার গতানুগতিক জীবনের বাইরে গিয়ে নতুন কিছুর সৃষ্টির জন্যে অথবা নতুন কিছু শিখতে চাইলেও শিখা হয়ে উঠেনা। তাদের জন্যই আমাদের প্ল্যাটফরম ।সেক্ষেত্রে সে ঘরে বসেই খুব সহজে তার পছন্দের ইন্সট্রাক্টর দিয়ে ক্লাস করতে পারবে যেকোন সময়। কিংবা কেউ জিম এ যেতে পারছে না সে ঘরে বসেই ইয়োগা ক্লাস করতে পারবে।। এক কথায় এখন থেকে শিক্ষাটা হবে একদম ঘরে বসে আপনার নিজের রুম থেকে।”

আপনাদের ফান্ডিং কারা করছে?? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইও বলেন “সম্পুর্ন নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি এটি। এই জিনিসটি সম্পূর্ণ নতুন হওয়ায় কারো সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা নভেম্বর এর ১ তারিখ শুরু করছি লাইভ ক্লাস। এই মুহূর্তে আমরা কোনো ইনভেস্টর এর দিকে এখন মুভ করতে চাচ্ছি না।” সম্পূর্ণ নতুন ধারায় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেছে এইসব তরুণ তরুণীরা। নভেম্বর এর ১ তারিখ তাদের বিভিন্ন কোর্স এর ক্লাস শুরু করছে তারা এবং তাদের পাইলট প্রজেক্টে ২০০০ স্টুডেন্ট এনরোল হয়েছে। এই খুদে ইনোভেটর দের পারি দিতে হবে দীর্ঘ পথ। তাই তাদের এই নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য শুভ কামনা রইলো আমাদের পক্ষ থেকে।
ই-এডু-ল্যাব
গাইডলাইন এর অভাবে বা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঢাকার বাইরে তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা থাকে না তাদের কথা মাথায় রেখে পুরো জিনিসটা বানানো। এখন থেকে ঢাকার একজন টিচার ক্লাস নিতে পারবে ওয়ার্ল্ড এর যেকোনো জায়গার স্টুডেন্ট এর সাথে। স্কুল কলেজ ভার্সিটি তে যেসব কোর্স অফার করা হয় না সেগুলোতে সবাই কে এক্সপার্ট করে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করাই আমাদের লক্ষ্য।” ই-এডু-ল্যাব এর সিইও পূর্বা দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেন “আমরা কিছু বিশেষ দিকে নজর রেখে এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছি যেমন একটি মেয়ে চাইলেই তার গতানুগতিক জীবনের বাইরে গিয়ে নতুন কিছুর সৃষ্টির জন্যে অথবা নতুন কিছু শিখতে চাইলেও শিখা হয়ে উঠেনা। তাদের জন্যই আমাদের প্ল্যাটফরম ।সেক্ষেত্রে সে ঘরে বসেই খুব সহজে তার পছন্দের ইন্সট্রাক্টর দিয়ে ক্লাস করতে পারবে যেকোন সময়। কিংবা কেউ জিম এ যেতে পারছে না সে ঘরে বসেই ইয়োগা ক্লাস করতে পারবে। এক কথায় এখন থেকে শিক্ষাটা হবে একদম ঘরে বসে আপনার নিজের রুম থেকে।”

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে