দেশীয় ফ্রিজের দাম কমবে

0
দেশীয় ফ্রিজের দাম কমবে

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশীয় রেফ্রিজারেটর এবং কম্প্রেসার শিল্প প্রতিরক্ষণের লক্ষ্যে রেফ্রিজারেন্ট, কপার টিউবসহ ইলেকট্রিক এপারেটাসে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ এবং ওয়েল্ডিং ওয়্যারের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হ্রাসের প্রস্তাব করেছেন। বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের জন্য মোবাইল ব্যাটারি চার্জার, ইউপিএস/আইপিএস ও ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজারের শুল্ক ১৫ শতাংশ; অটোমেটিক সার্কিট ব্রেকারের শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী এই প্রস্তাব করেন।

দেশে বর্তমানে উন্নতমানের রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার তৈরি হচ্ছে, যা দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। সম্প্রতি দেশে আধুনিক মানের কম্প্রেসার প্রস্তুতকারী কারখানা চালু হয়েছে বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় এসব শিল্পকে প্রতিরক্ষণের লক্ষ্যে এ খাতে ব্যবহৃত কতিপয় উপকরণ যেমন-রেফ্রিজারেন্ট, প্রিন্টেড স্টিল শিট (০.৩ এমএম পুরুত্ব), কপার টিউব, ক্যাপাসিটর, কানেক্টর, টার্মিনাল ও ইলেকট্রিক এপারেটাসে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ এবং ওয়েল্ডিং ওয়্যার, স্প্রিং ও গ্যাসকেটে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ হ্রাসের প্রস্তাব করছি।

দেশীয় ইলেকট্রিক শিল্পে উৎপাদিত পণ্যের প্রতিরক্ষণের সুবিধার্থে মোবাইল ব্যাটারি চার্জার, ইউপিএস/আইপিএস ও ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজারের শুল্ক ১৫ শতাংশ; অটোমেটিক সার্কিট ব্রেকারের শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে; ল্যাম্প হোল্ডারের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ আরোপ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

একই সঙ্গে এসব শিল্পের কতিপয় কাঁচামাল যেমন-কার্বন রড, ফর্মড কোর আমদানিতে শুল্ক বিভিন্ন হারে হ্রাসের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।