এখনকার যুগে ৪ বছর বয়সেই নিজের চেয়ে ভারি একটা ব্যাগ কাঁধে সোনামণি স্কুলে যায়। তার স্কুলে যেতে ভাল লাগুক অথবা না তবুও যেতে হয়। স্কুল থেকে ফিরেই সে মায়ের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে অস্বস্তিবোধ করে। কারণ ক্লান্ত বাচ্চাটা এত প্রশ্নে বিরক্ত, সেখানে বেশিরভাগই “এটা লিখছ? ওটা পারছো? মুখস্থ বলছো তো? ব্লা ব্লা।”

বাচ্চাদের মানসিকভাবে চাপ না দিয়ে কিছু বিশেষ প্রশ্ন করতে পারেন তাতে ওদের মানসিক অবস্থান উন্নতি হবে। সেও বন্ধুসুলভ আপনাকে পেয়ে মনের কথা শেয়ার করবে।
উল্লেখিত কিছু প্রশ্ন এমন হতে পারে-
১. তোমার আজ কেমন কাটল স্কুলের সময়?
২. আজ কার সাথে বসেছিলে? কেমন লেগেছে?
৩. কোন টিচার তোমার প্রিয়?
৪. অফ ক্লাসে কার সাথে খেললে?
৫. আজ কোন টিচারকে বিরক্ত করেছো?
৬. স্কুলের ওয়াসরুমে যাও? সেটা কি তোমার জন্য সুবিধাজনক?
৭. আজ কি কেউ ব্যথা পেয়েছে? কেঁদেছে কেউ?
৮. কারো সাহায্য নিয়েছো? করো নি কাউকে সাহায্য?
৯. কারো সাথে টিফিন শেয়ার কর নি?
১০. আচ্ছা কোন পড়াটা আজ বুঝো নি?
১১. কোন ক্লাসে অস্বস্তি লেগেছে?
১২. রাস্তায় কি খারাপ লাগছিল?
১৩. ঝগড়া করনি তো?
১৪. কোন টিচারের আচরণ ভয় পেয়েছো?
★লক্ষণীয় সব প্রশ্ন এক দিনেই করবেন না।
খুব যত্ন নিয়ে প্রতিদিন টুকটাক প্রশ্ন করুন বাচ্চাকে।
সুস্থ সুন্দর মানসিকতায় বেড়ে উঠুক আপনার সোনামণি।
স্কুল হউক তার প্রিয় জায়গা।
লেখা: #কুহু_পরী












