কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় স্বামীকে তাবিজের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক ও মসজিদের সাবেক এক ইমামকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার আটককৃত মাওলানা মোফাচ্ছের হোসেন সামসি (৪৫) নামে ওই ইমামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে সোমবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাওলানা মোফাচ্ছের হোসেন সামসি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হরিকেশ কানিপাড়া গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে।
পুলিশ সূত্র হতে জানা যায়, অভিযুক্ত মাওলানা মোফাচ্ছের হোসেন সামসি এক সময় কুড়িগ্রাম সদরের একটি মসজিদের ইমাম ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ থাকায় তাকে মসজিদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। বর্তমানে তিনি সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত আছেন।
হজের টাকা নিয়ে পলায়ন করার অপরাধে তিনি জেল খেটেছেন এবং তিনি বিভিন্ন সময় নারীদের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত বলেও জানায় পুলিশ।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার বলেন, “কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হরিকেশ কানিপাড়ার এক নারীর স্বামীকে বশে আনার জন্য তাবিজসহ বিভিন্ন উপায়ে প্রলোভন দেখিয়ে আসছিলেন মাওলানা মোফাচ্ছের হোসেন সামসি। প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে বিভিন্ন সময় ওই নারী মাওলানা মোফাচ্ছের হোসেনের নির্দেশনা মেনে আসছিলেন।”
তিনি আরো জানান, গত ১৩ আগস্ট সুযোগ পেয়ে নারীকে শ্লীলতাহানিসহ যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। এরপর সোমবার ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর দায়ের করা এক এজাহারের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।